প্রকাশিত: Tue, Apr 23, 2024 8:42 AM
আপডেট: Wed, Jun 24, 2026 11:59 PM

মানুষকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়, সম্মান দিতে হয় তা ছিলো রুমি ভাইয়ের কাছ থেকে শেখার বিষয়

আশীষ সৈকত : রুমি ভাইকে পেয়েছিলাম ইত্তেফাকে গিয়ে। ২০১২ সালে প্রথম আলো ছেড়ে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে যোগ দিই ইত্তেফাকে। বসতাম তখন ইত্তেফাক ভবনের ৫ তলায়। একদিন হঠাৎ করে তিনি ফোন করে আমার রুমে আসতে চাইলেন। বললাম, এখনই চলে আসুন। এর আগে পরিচয় হলেও এত ঘনিষ্ঠভাবে কথা হয়নি তখনও। অনেক কথা, অনেক গল্প। কাজ করতেন পেজ মেকিং বিভাগে। কিন্তু মনপ্রাণ ছিল সৃষ্টির আনন্দে। কাজের ফাঁকে ফাঁকেই অভিনয় করে তিনি তখনই জনপ্রিয়। এরপর টানা ছয় বছর আমরা একসঙ্গে পাড়ি দিয়েছি। 

ইত্তফাকের পিকনিক বা বড় কোনো অনুষ্ঠান মানেই রুমি ভাইয়ের সরব উপস্থিতি। মানুষকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়, সম্মান দিতে হয় তা ছিল তার কাছ থেকে শেখার বিষয়। ইত্তেফাক ছেড়ে আসার আগের দিন আমার রুমে এসে অনেক কথা বললেন। যাবার সময় হাত মেলানোর সময় অনেকক্ষণ হাত ধরে ছিলেন। এরপর প্রেসক্লাবসহ অনেক জায়গায় দেখা হয়েছে। সেই হাসি মুখ। কয়েক মাস আগে আমাদের বার্তা সম্পাদক আকমলের কাছে শুনলাম তার অসুস্থতার কথা। ইত্তেফাকে সহকর্মীদের সাথে খবর নিয়ে জানলাম ক্যান্সার ফোর্থ স্টেজ। কিছুই করার নেই। আর নেই রুমি ভাই। আমাদের অক্ষমতাকে ক্ষমা করবেন রুমি ভাই। লেখক: সাংবাদিক। ফেসবুক থেকে